সরকারি সহায়তায় ঢাকায় ৪টি ডেটাসেন্টার দাবি
দুই দিনের মধ্যে ক্ষতির হিসাব দেবে আইআইজি ফোরাম
রাজধানীর মহাখালী আমতলী সংলগ্ন ১৪তলা খাজা টাওয়ারে ১১টি আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) প্রতিষ্ঠান ছিল। সেখান থেকেই ব্যান্ড উইথ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দিতো দেড় শতাধিক আইএসপি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এসব প্রতিষ্ঠানের ৫৫ শতাংশের অধিক যন্ত্রাংশই অকেজো হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ভবনটি ডেটাসেন্টার কিংবা ব্যান্ডউইথ ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য আদর্শ মানের না হলেও ঢাকার ভেতর একক জায়গার অভাবে ইন্টারনেট সঞ্চালনের ছোটখাটো হাবে পরিণত হয়েছিলো। কিন্তু এই অবস্থা ব্যবসা, সেবা কিংবা জাতীয় প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে মোটেই টেকসই নয় বলে মনে করেন আইআইজি ফোরামের মহাসচিব আহমেদ জুনায়েদ।
ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে এমন অনিরাপদ জায়গায় ব্যবসায় বাধ্য হয়ে এখন বিপুল ক্ষতির মুখে পড়লেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ডিজিবাংলা’র সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ক্ষতির পরিমাণ যথযাযথ ভাবে নিরূপণ করতে আমরা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছি। আগামী দুই দিনের মধ্যে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। তবে এই প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই আমরা সরকারের কাছে ঢাকা শহরে চার ডাটা সেন্টার স্থাপনের জন্য সাহায্য চাই। এমনটা থাকলে এমন বিপদে পড়তে হতো না। যেসব আইআইজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের যদি সেকেন্ডারি বা টারশিয়ারি ডাটা সেন্টারে ব্যাকআপ থাকতো, তাহলে ক্ষয়ক্ষতি যেমন কম হতো, তেমনি তারা দ্রুত সেবায় ফিরতে পারতো। এমন পরিস্থিতি থেকে আগাম সুরক্ষা হিসেবে সরকার ঢাকার বাইরে প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি করে ডাটা সেন্টার করে দিলে কিংবা এজন্য পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করি।
ঢাকার বাইরে গাজীপুরের কেন যাচ্ছেন না জানতে চাইলে জুনায়েদ বলেন, এনটিটিএন এর ট্রান্সমিশন খরচ দিয়ে এটা ব্যাবসায় বান্ধব নয়।
সূত্রমতে, আগুন লাগার ফলে আইটেল, ম্যাক্স হাব, আমরা নেটওয়ার্কস, আর্থনেট, ভার্গো, ও উইনস্ট্রিম, আর্থ, গ্লোবাল ফেয়ার পুরোপুরি শাটডাউন হয়ে যায়। তবে পিয়ারেক্স, লিংক থ্রি, লেভেল থ্রি, ফাইবার অ্যাটহোম, সামিট ও আইইসিসি আইপিটিএসপি এর মতো বড় কয়েকটি আইআইজি ও আইসএক্স এর ব্যাকআপ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত নিজেদের সামলে নিয়ে গ্রাহকসেবা দিতে শুরু করে। আর পুরো কাজটি করা হচ্ছে বাইরের ডাটা সেন্টার থেকে।







